বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
২০০৫ সালের পর আবারও সাফের ফাইনাল খেলার হাতছানি। গোটা দেশের মানুষ তাকিয়ে ছিল জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দিকে।
বুধবার মালে স্টেডিয়ামে জিততেই হবে-এই সমীকরণ নিয়ে খেলতে নামে বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই বক্সের কাছে ফ্রি-কিক পায় বাংলাদেশ। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি নেপালি খেলোয়াড়েরা।
সপ্তম মিনিটে আয়ুষের দূর পাল্লার শট সরাসরি বাংলাদেশী গোলরক্ষকের গ্লাভসে। পরের মিনিট বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেয়। জামাল ভূঁইয়ার বাঁকানো ফ্রি-কিক থেকে মাথা খাটিয়ে গোল আদায় করে নেয় বাংলাদেশের সুমন রেজা। কোচ, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা আর গোটা গ্যালারি উল্লাসে ফেটে পড়ে। আর সঙ্গে বাংলাদেশে থাকা কোটি সমর্থক।
প্রথমার্ধের ১৩ মিনিটে সাদ, ২১ ও ২৬ মিনিটে সুমন দুটি সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। খেলার ৩২ মিনিটে নেপালের জোড়ালো আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন তপু বর্মণ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটেও আয়ুষের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধে গোল করতে মরিয়া হয়ে উঠে নেপাল।বিরতির পাঁচ মিনিটের মধ্যে নেপাল তিনটি সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু বাংলাদেশী খেলোয়াড়রা নেপালকে গোল করার সুযোগ দেয়নি। ৫৪ মিনিটে সুমন রেজা নেপালী গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি। এর একটু পর গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো অসাধারণ সেভ করে দলকে রক্ষা করেন।
কিন্তু খেলার ৭৮ মিনিটে সেই জিকো বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টার সময় হাতে বল লাগে। রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখান।
বাংলাদেশ ১০ জনের দল হওয়ার পর নেপাল চেপে ধরে বাংলাদেশকে। গোলরক্ষক আশরাফুল রানাও অসাধারণ সেভ করে জাল অক্ষত রাখেন।
কিন্তু খেলার ৮৭ মিনিটে নিজ বক্সে নেপালের একজন খেলোয়াড়কে পুশ করেছিলেন সাদ। রেফারি এতে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। কিন্তু বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা এতে আপত্তি করলেও কাজ হয়নি। স্পটকিক থেকে গোল করে সমতায় ফিরে নেপাল। আর টুর্ণামেন্ট থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
শাহ ফারুক রহমান
এডিটর, বিডিইয়র্ক, নিউইয়র্ক।