শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ দল তথা টিম টাইগার্স। ভক্তরা আশায় ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাটিতে ৩-০ তে পরাজিত করে হোয়াইট ওয়াশ করবে টাইগাররা।
ওয়েস্ট উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশের মিশনে কিংসটাউনে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক লিটন দাস। জাকের আলীর অপরাজিত ৭২ রানের সুবাদে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে টিম টাইগার্স। জবাব দিতে নেমে ১৬.৪ ওভারে ১০৯ রান গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
রোমারিও শেফার্ডের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৩ রান। রিশাদ হোসেন তিনটি, শেখ মেহেদী ও তাসকিন আহমেদ একটি করে উইকেট নেন।
জাকের আলী ক্যারিয়ার সেরা ৭২ রানের ইনিংসে বল খেলেছেন ৪১টি, চার মেরেছেন ৩টি, ছক্কা হাঁকিয়েছেন তার দ্বিগুণ ছয়টি। এছাড়া সৌম্য সরকারের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা পারভেজ হোসেন ইমন করেন ২১ বলে ৩৯ রান। ২৩ বলে ২৯ রানের আরেকটি ঝড়ো ইনিংস আসে মেহেদী হাসান মিরাজরা।
বাংলাদেশের পড়া ৭ উইকেটের ২টি নিয়েছেন ডানহাতি পেসার রোমারিও শেফার্ড। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আলঝারি জোসেফ, রস্টন চেজ ও গুডাকেশ মোতি। বাকি দুই ব্যাটার রানআউট হয়েছেন।
সিরিজের শেষ ম্যাচে হওয়া সর্বোচ্চ রান তাড়ায় ব্যাটে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় পঞ্চাশের আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। প্রথম ওভারে তাসকিন আহমেদ ব্রান্ডন কিংকে ফেরানোর পর দ্বিতীয় ওভারে জাস্টিন গ্রিভসকে সাজঘরের পথ দেখান শেখ মেহেদী।
এরপর নিকোলাস পুরানকে বোল্ড করেন মেহেদী এবং রস্টন চেজকে শুণ্য রানে ফেরান হাসান মাহমুদ। রান আউটে কাটা পড়েন জনসন চার্লস। ৬০ রানে রোভম্যান পাওয়েলকে হারিয়ে খাদের কিনারায় পড়ে স্বাগতিকরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেছেন রোমারিও শেফার্ড, ২৩ বলে ৩৩ রান করেন। চার্লসের থেকে আসে ২৩ রান। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন রিশাদ হোসেন, ১৩ রানে ২ উইকেট নেন শেখ মেহেদী। একটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদ।
উল্লেখ্য, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরত এই তরুন বাংলাদেশ দল টেস্ট সিরিজটি ড্র করতে সক্ষম হয়। তবে টাইগারদের শক্তির জায়গা ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ দল। যদিও টি টুয়েন্টিতে স্বাগতিক দলই ছিল বেশ শক্তিশালী। তাদের হোয়াইটওয়াশ করে সারা দেশে আনন্দের বন্যা বইয়ে দেন বাংলাদেশের তরুন খেলোয়াড়রা।
বিডিইয়র্ক ডেস্ক, নিউইয়র্ক।