বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া–র জ্যেষ্ঠ পুত্র, তারেক রহমান মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে পঞ্চমবারের মতো সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করল।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায়। বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে শপথ পাঠ করান। পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। শপথ শেষে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথবইয়ে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি।
রাষ্ট্রপতি ভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনকে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি দল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিকরা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ২০০ আমন্ত্রিত অতিথি অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান।
প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় লাভ করে সরকার গঠন করে।
৬৮টি আসন পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে।