অনুষ্ঠানে ”গণমুক্তি অনিবার্য” নামক একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা মহানমুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং সকলবীরাঙ্গনা, রণাঙ্গনরে বীর মুক্তযিোদ্ধা, মহান মুক্তযিুদ্ধরে সকল স্তররে নেতা-কর্মীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন এক সাগর রক্তরে বিনিময়ে অর্জিত আমাদরে স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও আন্তরকি সচেষ্ট থাকতে হবে। তিনি সকলকে মহান বিজয় দিবসের উষ্ণ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। কনসালজনোরলে বলনে, ২০২৪ সাল বাংলাদশেরে ইতহিাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সংযোজন করেছে। ২০২৪ সালের ফ্যসিবাদ বিরোধী ও বৈষম্য বিরোধী গণ-অভ্যুথান বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা মেরামত তথা সংস্কারের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করছেে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জুলাই আগষ্টের ছাত্র-জনতারঅভ্যুত্থানে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং যারা এই অভ্যুত্থানেআহত হয়েছেন তাদের আশু সুস্থ্যতা কামনা করেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদশেরে অন্তর্বতীকালীন সরকার যে সংস্কার র্কমসূচী হাতে নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের জন্য তিনি সকলের ঐকান্তিক সহযোগীতা কামনা করেন। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রে বাসবাসরত প্রবাসীভাই-বোনদের অধিকতর অবদান রাখার জন্য তিনি আহবান জানান।
উন্মুক্ত আলোচনায় নিউইয়র্কস্থ বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ এবং এবং রাজনতৈক ব্যাক্তিবর্গসহ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন এবং বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে তারা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং দেশের স্বাধীনতা-র্সাবভৌমত্বরক্ষায় দৃঢ় প্রতজ্ঞিা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে ৭১-এর সকল শহীদ,শহীদ বুদ্ধিজীবী, শহীদ বীর মুক্তযিোদ্ধা এবং ২৪ এর জুলাই-আগষ্টে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে কমিউনিটির শিল্পীদের দ্বারা মনোজ্ঞ এক সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
বিডিইয়র্ক ডেস্ক, নিউইয়র্ক।