যা আমেরিকার প্রেসিডেন্টরা খুব একটা করেন না বলে মন্তব্য করেছে মিডিয়া। অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সব বিশ্ব মিডিয়া আউটলেট প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের এই আমেরিকা সফর প্রচার এবং প্রকাশ করছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত মঙ্গলবার রাতে হোয়াইট
হাউজে প্রিন্স সালমানের সম্মানে এক "Lavish State Dinner Party "র আয়োজন করেন। যেটি Black Tie Dinner নামে পরিচিত। সেখানে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ইলন মাস্ক, ফুটবল লেজেন্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থেকে শুরু করে বিখ্যাত সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং কর্পোরেট ব্যবসার সি ই ও এবং সমাজের বিখ্যাত আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প সৌদি আরবকে এমেরিকার অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং পরীক্ষিত বন্ধু হিসাবে আখ্যায়িত করেন। প্রিন্স সালমান আমেরিকায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
ইনভেস্টমেন্ট করার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প সৌদি আরবের কাছে অত্যন্ত আধুনিক যুদ্ধবিমান F-35 বিক্রির ঘোষণা দেন। এই যুদ্ধবিমান এ পর্যন্ত মাত্র ৩টি দেশের কাছে বিক্রি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল এই অত্যাধুনিক ফাইটার প্লেন State Of The Art Technology তে তৈরি। যা একমাত্র আমেরিকার কাছেই আছে। এটিকে Sixth Generation Fighter Jet হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ড এবং 9/11 এর ঘটনার সাথে সৌদি আরব কোনভাবে জড়িত নয় বলে ট্রাম্প ঘোষণা দেন।
আমেরিকা এবং সৌদি আরবের বন্ধুত্ব আরও ঘনিষ্ট এবং শক্তিশালী করার ব্যাপারে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা সহ সামরিক, অর্থনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক অংগনে এক সাথে কাজ করার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ।
আজও ট্রাম্পের সাথে প্রিন্স সালমানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৮ সালের পর প্রিন্স সালমানের এই সফরকে দুই দেশ একটি ঐতিহাসিক সফর হিসাবে দেখছে। মার্কিন মিডিয়া এবং বিশ্ব মিডিয়া এই সফরকে হোয়াইট হাউজের ইতিহাসে একটি বিরল এবং স্মরণীয় সফর হিসাবে উল্লেখ করেছে।
এমন রাজকীয় সফর নাকি হোয়াইট হাউজের কোন প্রেসিডেন্ট আজও Welcome করেন নাই বলে মন্তব্য করেছে মিডিয়া।
রিমন ইসলাম
সিনিয়র সাংবাদিক, নিউইয়র্ক।